Ridoy Hosen Rabby - (Gazipur)
প্রকাশ ০৯/০৩/২০২২ ০৭:১৪এ এম

তেলের দাম বাড়ছে লাগামহীন ভাবে

তেলের দাম বাড়ছে লাগামহীন ভাবে
ad image
রাজধানীর অনেক মুদি দোকানে মিলছে না সয়াবিন তেল। যেসব দোকানে সয়াবিন বিক্রি হচ্ছে, তা বাড়তি দামে নিতে হচ্ছে ক্রেতাদের। সুযােগ বুঝে ইচ্ছেমতাে দাম বাড়াচ্ছেন বিক্রেতারা। শুধু রাজধানী নয়, দেশের বিভিন্ন জেলার বাজারেও সয়াবিন তেলের সংকটের খবর পাওয়া গেছে। কদিন ধরে এ সংকট শুরু হয়েছে, যা এখন প্রকট।

ফলে অনেক দোকানে এখন প্রতি লিটার তেলেরদাম হাঁকা হচ্ছে ২০০ টাকা পর্যন্ত।ঢাকার সবচেয়ে বড় পাইকারি তেলের বাজার মৌলভীবাজারেও সংকট। সেখানে তেল কিনতে গিয়ে ফিরে আসছেন খুচরা ক্রেতারা। কারও কাছে সয়াবিন থাকলেও সেটা গােপনে বিক্রি হচ্ছে চড়া দামে পাইকারি বিক্রেতাদের অভিযােগ, সয়াবিন সরবরাহকারী কোনাে প্রতিষ্ঠান তাদের তেল দিচ্ছে না। ডিও (ডেলিভারি অর্ডার) ওঠাতে পারছেন না তারা।

কোম্পানিগুলাে তেল সরবরাহ বন্ধ রাখায় এ পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। তবে দেশে সয়াবিন তেল সরবরাহকারী বড় প্রতিষ্ঠানগুলাে বলছে, তারা আগের মতাে প্রতিদিন নির্দিষ্ট পরিমাণ তেল সরবরাহ করছে। পাইকারি ও খুচরা বিক্রেতারা রমজান সামনে রেখে সয়াবিন মজুত করছেন। এজন্য বাজারে কৃত্রিম সংকট তৈরি হচ্ছে।

রাজধানীর মৌলভীবাজারের বড় তেল ব্যবসায়ী মােহাম্মদ আলীভুট্টো। তিনি বাংলাদেশ পাইকারি ভােজ্যতেল ব্যবসায়ী সমিতির সহ-সভাপতি।মােহাম্মদ আলী ভুট্টো বলেন, এই বাজারে (মৌলভীবাজার) সয়াবিন তেল নেই।সব কোম্পানি মিল থেকে তেল সরবরাহ বন্ধ রেখেছে। নিজস্ব ডিস্ট্রিবিউশন সেল থেকেও তেল দিচ্ছে না।

এ কারণে বাজারে খুচরা ও বােতলজাত উভয় তেলের সংকট। কোম্পানি সয়াবিন তেল সরবরাহ না করার কারণে সম্পর্কে তিনি বলেন বলেন, “তারা (কোম্পানি) বিভিন্ন অজুহাত দেখাচ্ছে। মেঘনা গ্রুপ বলছে, জাহাজ বন্দরে পৌঁছেনি। সিটি গ্রুপ বাড়তি চাপের কথা বলছে। টিকে গ্রুপসহ অন্যরা তাদের কাছে সয়াবিন নেই বলে জানাচ্ছে। তবে মেঘনা ও সিটি গ্রুপের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা বলছেন উল্টো কথা। তাদের দাবি, মিল থেকে পর্যাপ্ত তেল সরবরাহ করা হচ্ছে। আমাদের এখানে কোনাে সংকট নেই। পাইকারি বিক্রেতারা রমজান সামনে রেখে সয়াবিন মজুত করছেন, এজন্য সংকট চলছে।

শেয়ার করুন

ad image

সম্পর্কিত সংবাদ