Motior Rahman Sumon - (Mymensingh)
প্রকাশ ২১/০২/২০২২ ১২:৫৩পি এম

জীবনের সাত রঙে তুমি নেই(জীবনস্মৃতি পর্ব-৩০): লেখক মতিউর রহমান সুমন

জীবনের সাত রঙে তুমি নেই(জীবনস্মৃতি পর্ব-৩০): লেখক মতিউর রহমান সুমন
ad image
অভিনয় করছি না মিলা সত্যি আমি চন্দ্রচূড়!
না তুমি দেবেশ আমার চন্দ্রচূড়কে দরকার নেই।
উর্মিলা স্বামীর বুকে মুখ লুকালো।
বধূ- ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়

১৫ তারিখ বেলা ১১টা থেকে ২ টা পর্যন্ত একটানা ৩ ঘণ্টা সময় নিয়ে পড়ে নিলাম বধূ।
পড়তে গিয়ে মনে হল এতো আমার পরিচিত কোনো ঘটনা, দেখেছি কোথাও, চোখের সামনে ভাসছে মনে হচ্ছে, তারপর মনে পড়লো-
শাহ্‌রুখ খান অভিনিত 'রাবনিবানাদিযদি' ছবি
এই গল্পের আলোকে।
বাংলাদেশে ফেরদৌস অভিনীতও প্রায় একই ধরনের একটা মুভি আছে, (নাম মনে নেই)।
বধূ শেষ করে মনে হল- ভালোবাসার জোর, পরস্পরের বিশ্বাস থাকা কতটা জরুরি। স্বামীর-স্ত্রী সম্পর্কের ফাঁক কোথায়, জীবন দর্শনের অনেক কিছু বুঝা যায় উপন্যাসটি থেকে। আমি বিবাহিত পরপুরুষের প্রতি আকৃষ্ট হওয়া অন্যায়, স্বামীর প্রতি স্ত্রীর এই সম্মান রক্ষা- আমাকে মুগ্ধ করেছে।

তার আগের দিন পড়ে নিলাম 'যদ্যপি আমার গুরু' ইহা পূর্বে কিছু পড়া ছিল।
যদ্যপি আমার গুরু যতই পড়তেছিলাম আমার ততই মনে হচ্ছিলো এরকম একটা বই আমিও লিখার সামর্থ রাখি, গত এক বছরে অনেক কবি সাহিত্যিকের সাথে দেখা হয়েছে কথা হয়েছে, এদের দুজন ইতোমধ্যে মারাও গেছেন। নানা ঘটনায় লেখার মতো, কেউ আমার মত ছোট্ট মানুষকে অত্যধিক সম্মান দেখিয়েছেন কেউবা দ্বিধায় পড়ে গেছেন তুমি বলবে নাকি আপনি!
কে কী লেখেন কীভাবে লিখেন তার বিস্তর ধারণা হয়েছে। অনেকে লেখেন ভালো কিন্তু মিডিয়া বা যোগসাজশের অভাবে অপরিচিত থেকে গেছেন। অনেকের পরিচিতি আছে বেশ তবে কেউ কেউ দলের, ব্যক্তির। পাঠকের নয়। কেউ খুব দাম্ভিক! আবার কারো কারো ব্যবহারে ভালোবাসায় আপ্লুত হয়েছি। কারো কারো তথ্য ভাণ্ডার বিশাল প্রকাশ করেছেন মাত্র তার এক সিকি। আর সাহিত্যের চিরায়ত কথা- শুভকামনা, লেগে থাক, পড়তে হবে অনেক পড়তে হবে এগুলোও শুনা হয়েছে বেশ। কেউ কেউ ক্ষুদ্র আমার প্রশংসা করেই ভাসিয়েছেন বেলা। আবার কেউ কেউ নিজেকে বড় দেখাতে- তথ্য দিয়ে সাহায্যই করেননি। মানেটা হচ্ছে- এই আমাকে নিয়ে লিখতে হবে না, আমি এখনো কিছুই না, মাত্র তো শুরু, এখনো কিছুই শিখিনি মাত্র শিখতেছি ইত্যাদি ইত্যাদি বলে নিজেকে খুব মহৎ বানাতে চেয়েছেন।
প্রত্যেকটা বিষয়ের একটা সীমা/ দৈর্ঘ্য /উচ্চতা থাকে মোট কথা রূপ থাকে। কথারও!
ভদ্রতার খাতিরে বলায় যায় এই থাক আমাকে নিয়ে লেখার তেমন কিছু নেই কিন্তু সেটা বাড়াবাড়ি রকমের না না তে চলে গেলে, আপনার ক্ষুদ্রতারই প্রকাশ ঘটে। কে কী সেটা মানুষ বলবে নিজেকে নিজে ছোট বলে বড় করে দেখানোর মানে নেই!
'এক মলাটে গফরগাঁও' চেয়েছি-চাচ্ছি গফরগাঁওয়ের সবকিছুই যেন এক মলাটে থাকে, সেখানে কবি সাহিত্যিকও থাকবেন। আমার তাতে কিচ্ছু যায় আসে না কে ভালো লেখক খারাপ লেখক! আমার দরকার তিনি লেখতেন কিনা, লেখেন কিনা! কী লিখেন সেটা পাঠক জানে, পাঠক বলবে।

কী লিখতে গিয়ে কী লিখছি!
তারপর পড়লাম রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের প্রথম উপন্যাস 'বউ ঠাকুরাণীর হাট'।

বহুদিন পর একসাথে তিনটি বই পড়া হল। গত ১১/০২/২২ শুক্রবার ঘুরে আসলাম জামালপুর জেলা। প্ল্যানে রেখেছি প্রতি মাসে একটি বই, দুই মাস অন্তর একটি ভ্রমণ!

শেয়ার করুন

ad image

সম্পর্কিত সংবাদ