Md. Kajol Ali - (Thakurgaon)
প্রকাশ ০৯/০২/২০২২ ০৮:০৫এ এম

ভোজ্য তেলের দাম লাগামহীন

ভোজ্য তেলের দাম লাগামহীন
ad image
দেশে ভোজ্যতেলের বাজার এখন লাগামহীন। গেল সোয়া এক বছরে সয়াবিন তেলের দাম বেড়েছে দ্বিগুণ। আন্তর্জাতিক বাজারের দোহাই দিয়ে ঘন ঘন দাম বাড়ানোয় নাভিশ্বাস উঠেছে ভোক্তাদের। কতিপয় তেল ব্যবসায়ীর স্বার্থ রক্ষা করে অযৌক্তকভাবে বাণিজ্য মন্ত্রণালয় দাম বাড়াচ্ছে বলে মনে করে কনজুমার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ-ক্যাব।

আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম ওঠানামা করলেও দেশের বাজারে কেবলই পড়ে দাম বাড়ার প্রভাব। ২০২০ সালের সেপ্টেম্বরে বোতলবদ্ধ সয়াবিন তেলের লিটার ছিল ৮৪ টাকা। সোয়া এক বছরের ব্যবধানে সেটি এখন ১৬৮ টাকা। রোববার বোতলজাত প্রতি লিটার সয়াবিন তেলের দাম সরকার বেঁধে দেয় ১৬৮ টাকা, ৫ লিটারের দাম ৭৯৫টাকা। তবে বিক্রি হচ্ছে আরও বেশি দামে।

এক খুচরা বিক্রেতা বলেন, সপ্তাহ যেতেই তেলের দাম বাড়ে। নতুন রেটে আরও আট টাকা বাড়তি। গায়ে লেখা ৮০০ টাকা, আমরা এ দামেই বিক্রি করছি। আগেই বেড়ে থাকার পরও নতুন করে ভোজ্যতেলের দাম বাড়ানোকে ‘মরার উপর খাঁড়ার ঘা’ বলেছেন ভোক্তারা। একজন ক্রেতা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, একবারে এক হাজার করে দিক। তাতেই ভালো হয়। যেহেতু তারা যেটা করতেছে, আমাদের তো সেটাতেই চলতে হচ্ছে। বাড়িয়ে দিক।

আরেকজন ক্রেতা বলেন, আমরা পাবলিক শুধু বলি- কোনও কাজ হয় না। সরকার এর বিরুদ্ধে কোনও অ্যাকশন নেয় না, মনে হয় তারা ব্যবসায়ীদের কাছে জিম্মি। জনস্বার্থ বিবেচেনায় না করে শুধু একটি গোষ্ঠীকে খুশি করতেই বাণিজ্য মন্ত্রণালয় এমন কাজ করছে বলে অভিমত কনজুমার্স অ্যাসোসিয়েশনের।

সংগঠনটির সহ-সভাপতি এস এম নাজির হোসেন বলেন, যে কয়েকজন রিফাইনারি মিল মালিক আছেন, তাদের নিয়ন্ত্রণে পুরো ভোজ্যতেলের বাজারটা পরিচালিত হচ্ছে। তারা যেভাবে চাচ্ছে, সেভাবেই দামটা ওঠানামা করছে। তাদের ইশারায় দামটা নির্ধারিত হচ্ছে। যার কারণে বাণিজ্যমন্ত্রী বলার পরেও দামটা বেড়ে গেছে। আমরা সরকারকে যতটুকু না দাম বাড়াতে দেখি, কিন্তু সে দামে যে পণ্য পাওয়া যাচ্ছে না, সে ব্যাপারে সরকারের কোনও তদারকি দেখছি না। তাদের মতে, পণ্যের গায়ে আমাদনির সময়কালের মূল্য উল্লেখ করে বাজারজাত করলে কারসাজি বন্ধ হবে।

শেয়ার করুন

ad image

সম্পর্কিত সংবাদ