mukramin khan - (Kishoreganj)
প্রকাশ ২৬/০১/২০২২ ১২:১৩পি এম

Kishoreganj: ৪০ দিনের কর্মসূচির কাজে শ্রমিকদের সাথে মাটি কেটে ভাইরাল ৩ ইউপি চেয়ারম্যান

Kishoreganj: ৪০ দিনের কর্মসূচির কাজে শ্রমিকদের সাথে মাটি কেটে ভাইরাল ৩ ইউপি চেয়ারম্যান
ad image
কিশোরগঞ্জ তাড়াইল উপজেলায় দামিহা ইউনিয়নের ৪০ দিনের কর্মসূচির প্রকল্পের কাজ শ্রমিকদের সাথে মাটি কেটে আলোচনায় এসেছে দামিহা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান এ কে এস মাইনুজ্জামান নবাব। ২০২১ -২০২২ অর্থবছরে ৪০ দিনের কর্মসূচির কাজ যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে তার মাটি কাটার কয়েকটি ছবি ভাইরাল হয়। এ ধরণের কাজ করায় তিনি এলাকার সাধারণ মানুষের কাছে প্রশংসিত হয়েছেন।

জানা গেছে, সম্প্রতি উপজেলার ৭টি ইউনিয়নে অতিদরিদ্রদের জন্য কর্মসংস্থান কর্মসূচিতে (৪০ দিনের কর্মসূচি) ২,কোটি ৩৯, লক্ষ ৪,০০০/- হাজার টাকা বরাদ্দ দেয়া হয়। সে মোতাবেক উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তার কার্যালয় থেকে ৭টি ইউনিয়নে ৩৩টি প্রকল্পের অনুকূলে বরাদ্দকৃত টাকা বন্টন করা হয়। এর মধ্যে দামিহা ইউনিয়নে ৫টি প্রকল্পের ৩১ লক্ষ ৮৪ হাজার টাকা বরাদ্দ দেয়া হয়।

তাড়াইল উপজেলার সদর ইউনিয়ন, ধলা ইউনিয়ন ,দামিহা ইউনিয়ন এই তিনটি ইউনিয়নের সরকারি বিধি মোতাবেক ৪০ দিনের কর্মসূচির শ্রমিক দিয়ে কাজ করাচ্ছেন
সরজমিনে গিয়ে তার সত্যতা পাওয়া গেছে।


বিভিন্ন ইউনিয়নে এই ৪০ দিনের কর্মসূচির কাজ নিয়ে নানা অনিয়ম থাকলেও অন্যতম এই তিনটি ইউনিয়নে সঠিকভাবে কাজ হচ্ছে বলে জানিয়েছেন এলাকাবাসী। ইউনিয়নটির সদর ইউপি চেয়ারম্যান সাঈম দাদ খান নওশাদ, দামিহা ইউপি চেয়ারম্যান এ ,কে ,এস মাইনুজ্জামান নবাব ,ধলা ইউপি চেয়ারম্যান ও আফরোজা আলম ঝিনুক। প্রতিদিনই প্রকল্পের কাজ তদারকি করেছেন। বিভিন্ন সময়ে তিনি নিজেই শ্রমিকদের সাথে মাটি কেটেছেন।

পরবর্তীতে শ্রমিকদের সাথে মাটি কাটার তার কয়েকটি ছবি ভাইরাল হয়। ছবিতে দেখা যায় তাড়াইল উপজেলার ধলা ইউনিয়ের নবনির্বাচিত চেয়ারম্যান গামছা বেঁধে সাধারণ শ্রমিকদের মত অন্যান্য শ্রমিকদের সাথে মাটি কাটছেন ।এ ধরণের কাজ প্রায়ই করে থাকেন।

দামিহা ইউনিয়নের নগরকুল গ্রামের ইটের সলিং হইতে রাস্তার মাথা হইতে দাগুর মোড় পর্যন্ত রাস্তা মেরামত জানান, আমাদের গ্রামের ৪০দিনের কর্মসূচির মাধ্যমে একটি রাস্তা নির্মাণ করা হয়েছে। এই রাস্তা দিয়ে আমরা প্রায় এক হাজার লোক সুন্দরভাবে চলাচল করতে পারবো। এখানে যখন এই রাস্তার কাজ করা হয় আমাদের এ কে এস মাইনুজ্জামান নবাব কে শ্রমিকদের সাথে মাটি কাটতে দেখেছি।

৩৫ জন শ্রমিকে একসাথে পাওয়া যায় এবং উৎসাহ উদ্দীপনা নিয়ে বলেন, চেয়ারম্যান বিভিন্ন সময় এ ধরণের জনহিতকর কাজকর্মে শ্রমিকদের সাথে নিজেই অংশগ্রহণ করে থাকেন। এ জন্য আমরা এলাকাবাসী তাকে ধন্যবাদ জানাই।

চেয়ারম্যান একে এস মাইনুজ্জমান নবাব বলেন, এলাকায় যখন এ ধরণের কাজ হয় তখন আমি উপস্থিত থেকে কাজগুলো তদারকি করি। পরিষদে যদি জরুরি কোন কাজ না থাকে তাহলে শ্রমিকদের সাথে কাজে অংশগ্রহণ করি।

শেয়ার করুন

ad image

সম্পর্কিত সংবাদ