Jahidur Rahman - (Dhaka)
প্রকাশ ২৩/০১/২০২২ ০৬:১০এ এম

Election: এক ব্যক্তির ক্ষমতার জন্য রাজনৈতিক নির্বাচনের উত্তেজনা শিল্পী সমিতির নির্বাচনে!

Election: এক ব্যক্তির ক্ষমতার জন্য রাজনৈতিক নির্বাচনের উত্তেজনা শিল্পী সমিতির নির্বাচনে!
ad image
আগামী ২৮শে জানুয়ারি শিল্পী সমিতির নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। ষাট সত্তর দশক থেকে ২০১৭ পর্যন্ত পত্রিকায় আসতো শিল্পী,পরিচালক,প্রযোজক নির্বাচনের খবর।
কিন্তু, ২০১৭ সালে নির্বাচনের রাতে আগের সভাপতি জনপ্রিয় নায়ক শাকিব খানের গায়ে হাত তোলে আলোচনায় আসেন জায়েদ খান নামের এক অখ্যাত অভিনেতা।

জায়েদ খানকে সেই সময় বড় বড় তারকারা সমর্থন করেছিল যার খেসারত তাকে সাধারণ সম্পাদক পদে বসিয়ে নানান অপকর্মের সুযোগ করে দিয়ে চলচ্চিত্র শিল্প ধ্বংসের পথে গিয়েছে।

জায়েদ খানের আসল নাম জয়। পুরো ক্যারিয়ার জুড়ে লবিং তদবির করেও একটি হিট ছবি উপহার দিতে পারেনি। শাবনূরের বিপরীতে ও সাথে অভিনয় করলেও মারাত্মক কাঁচা অভিনয়ের জন্য কিছুই পারেনি।

তার কথাবার্তা আচরণে অভিনেতার থেকে নেতা বলাই বেশি যুক্তিসঙ্গত। কথা হচ্ছে, এরকম একজন গ্রহণযোগ্যহীন লোককে সাধারণ সম্পাদক পদের মতো গুরুত্বপূর্ণ পদে কেন নির্বাচনের সুযোগ করে দিল? এর দায়-দায়িত্ব সমস্ত এফডিসির চলচ্চিত্র সংশ্লিষ্ট সকলকে নিতে হবে। তাদের সাপোর্টে জায়েদ খান ওরফে জয় ১৮৪ শিল্পীকে বাদ দিয়েছে।

শিল্পীদের দুস্হ বানিয়েছে। তার কারণে এফডিসিতে চার বছর ধরে ছবি শেষ হয়ে গিয়েছে। পুরো চার বছর পরিচালক প্রযোজক পরিবেশকসহ সকল এফডিসির সংগঠনের সাথে প্রশাসনের প্রভাব খাটিয়ে দ্বন্দ্ব জিইয়ে রেখেছে। এফডিসির শিল্পী সমিতির অফিস রাজনৈতিক প্রতিষ্ঠান বানিয়েছে। ভোট পাওয়ার জন্য এমন হীন কাজ নাই করেনি। মুসলমানদের ধর্মীয় গ্রন্থ কোরআন শরীফ নিয়ে সবার কাছে ভোট চাইতে গিয়ে বলেছে- কোরআন ছুঁয়ে বলেছেন ভোট দিবেন না হলে আল্লাহ শাস্তি দিবে। ভোটের জন্য নোটের টাকা দিয়ে ভোট কিনেছে। এটা যে এতো লাভজনক ব্যবসায়িক পদ জায়েদ খানের আগে কেউ এই পদে থেকে চিন্তাই করেনি।

প্রশাসনকে পুরোটা সময় ধরে ব্যবহার করেছে। পরিচালকরা শিল্পী সমিতির সহযোগিতায় সিনেমা করতে চাইলে জায়েদ খান নায়ক ও তার পছন্দের শিল্পীদের লিস্ট ধরিয়ে দিয়েছে। যার কারণে কেউ আর সিনেমা করতে চায়নি।

প্রযোজকদের খেপিয়ে সিনেমায় লগ্নি সম্পূর্ণ বন্ধ করে দিয়েছে।

চলচ্চিত্র বোদ্ধারা আশা করছেন, জায়েদ খানের মতো অখ্যাত লোক সাধারণ সম্পাদক পদ থেকে নির্বাচনের মাধ্যমে বাদ পড়লে নিপুণ আসলে পরিস্থিতি আবার আগের অবস্থানের কাছে আসবে।

এবার নির্বাচনে মিশা-জায়েদ ও নিরাপদ সড়ক চাই প্রতিষ্ঠাতা ইলিয়াস কাঞ্চন-নিপুণ প্যানেল মুখোমুখি নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন।

শেয়ার করুন

ad image

সম্পর্কিত সংবাদ