Manir Ahmed Azad - (Chattogram)
প্রকাশ ১৮/০১/২০২২ ০৯:৪১এ এম

Suffering: লোহাগাড়ায় একটি সেতুর জন্যে জনদুর্ভোগে ২০ হাজার মানুষ

Suffering: লোহাগাড়ায় একটি সেতুর জন্যে জনদুর্ভোগে ২০ হাজার মানুষ
ad image
চট্টগ্রামের লোহাগাড়ার পদুয়া ইউনিয়নের হাঙ্গর খালে একটি সেতুর অভাবে জনদুর্ভোগের শিকার ২০ হাজার মানুষ। প্রতিনিয়ত বাঁশের সাঁকু দিয়ে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে পারাপার হচ্ছে ৮ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা। স্থানীয়রা জানান, আঁধারমানিক-ধলিবিলা সংযোগ সড়কে একটি সেতুর জন্যে আক্ষেপ রয়েছে কয়েক হাজারো মানুষের।

এলাকার অধিকাংশ লোকজন খেটে খাওয়া শ্রমিক। দীর্ঘদিন ধরে ওই সব শ্রমজীবি মানুষের শ্রম ও আর্থিক অনুদানে বাঁশের সাঁকোটি নির্মাণ করলেও বর্ষা মৌসুমে খালের পানির স্রোতে তলিয়ে যায়। প্রতি বছরই শুষ্ক মৌসুমে সাঁকুটি পুনরায় নির্মাণ করতে হয়। নির্মাণে বিলম্ব হলে তখন সাঁকো পারাপার করতে না পেরে এলাকাবাসী গৃহবন্দি হয়ে থাকেন।

প্রয়োজনের তাগিদে কেউ সাঁতার কেটে খাল পারাপারে প্রাণহানির ঘটনাও ঘটেছে। বিভিন্ন স্তরের জনপ্রতিনিধিরা সেতু নির্মাণের আশ্বাস দিলেও এ পর্যন্ত এলাকাবাসীর কাছে দৃশ্যমান হয়নি। সরেজমিনে দেখা যায়, চাষাবাদের জন্য রাবারড্যামে পানি জমানোর কারণে শুষ্ক মৌসুমেও খালে পানি কানায় কানায় ভর্তি থাকে।

সাঁকোটি দিয়ে ধলিবিলা চৌধুরী পাড়া, হাফেজের পাড়া, হানিফার চর, সেনার চর, মালিচান পাড়া, চান্দার পাড়া মধ্যম ধিলিবিলা, আঁধার মানিক, বিবিজান পাড়া, আশাবিবির পাড়া, নুরজাহান বিবির পাড়া ও দিঘীর পাড়ার বিশ হাজার জনগণ যাতায়াত করেন। স্থানীয় নবনির্বাচিত ইউপি চেয়ারম্যান হারুন রশিদ সরেজমিন সাঁকোটি পরিদর্শন করেছেন। তিনি বলেন, এলাকার জনগণের সুবিধার্থে দ্রুত সেতু নির্মাণের ব্যাপারে উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষন করেছি। এ বছরের যে কোন সময় ব্রিজ অগ্রাধিকার ভিত্তিতে নির্মাণের কাজ শুরু করা হবে।

লোহাগাড়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) মো. আহসান হাবিব জিতু বলেন, হাঙ্গল খালের ওপর জনস্বার্থে জরুরী ভিত্তিতে সেতু নির্মাণ করা পরিহার্য। এ ব্যাপারে উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করা হবে।

শেয়ার করুন

ad image

সম্পর্কিত সংবাদ