Irfan Ibne Amin Patwary - (Comilla)
প্রকাশ ১৭/০১/২০২২ ০৬:২২এ এম

Remittance: রেমিট্যান্সে ২.৫ শতাংশ নগদ সহায়তা দিতে ব্যাংকগুলোকে নির্দেশ

Remittance: রেমিট্যান্সে ২.৫ শতাংশ নগদ সহায়তা দিতে ব্যাংকগুলোকে নির্দেশ
ad image
এখন থেকে প্রবাসীদের পাঠানো রেমিট্যান্সে আড়াই শতাংশ হারে নগদ সহায়তা দিতে ব্যাংকগুলোকে নির্দেশ দিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।

গত রোববার (২ জানুয়ারি) বাংলাদেশ ব্যাংকের বৈদেশিক মুদ্রানীতি বিভাগ এ সংক্রান্ত নির্দেশনা জারি করে সব তফসিলি ব্যাংকে পাঠিয়েছে। এখন থেকে প্রবাসীরা ১০০ টাকা দেশে যার অ্যাকাউন্টে পাঠাবেন তিনি ১০০ টাকার সঙ্গে আড়াই টাকা যোগ করে ১০২ টাকা ৫০ পয়সা তুলতে পারবেন। এতদিন রেমিট্যান্সে দুই শতাংশ হারে সহায়তা পেতেন প্রবাসীরা।

ব্যাংকের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ও ব্যবস্থাপনা পরিচালকদের পাঠানো নির্দেশনায় বলা হয়েছে, সরকারি সিদ্ধান্ত অনুযায়ী জনমানুষের সার্বিক জীবনমান উন্নয়ন, বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ বৃদ্ধি, মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ, কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং বাংলাদেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে প্রবাসীদের প্রেরিত রেমিট্যান্সের গুরুত্ব বিবেচনায় বিদেশে কর্মরত বাংলাদেশি শ্রমজীবী মানুষের কষ্টার্জিত আয় বৈধ উপায়ে দেশে আনতে উৎসাহিত করতে রেমিট্যান্স প্রেরণের বিপরীতে সরকার ২ শতাংশ নগদ সহায়তার বিদ্যমান হার বাড়িয়ে ২ দশমিক ৫০ শতাংশ নির্ধারণ করেছে। বর্ধিত এ হার চলতি ২০২১-২২ অর্থবছরের ১ জানুয়ারি ২০২২ থেকে কার্যকর হবে।

এছাড়া রেমিট্যান্স প্রেরণের বিপরীতে প্রণোদনা বা নগদ সহায়তা সংক্রান্ত আগের নির্দেশনা যথারীতি বলবৎ থাকবে।

এর আগে ১ জানুয়ারি এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল জানান, 'রেমিট্যান্স বাংলাদেশের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে কত বড় ভূমিকা রাখে সেটি অর্থনীতিবিদরা বুঝবেন এবং তারা আমার সঙ্গে একমত পোষণ করবেন যে, এটি অসাধারণ ভালো কাজ হয়েছে। আমরা এটাকে সঠিক চ্যানেলে আনার চেষ্টা করছি। আমরা রেমিট্যান্স পাচ্ছিলাম না, কারণ সেটা ইনফরমাল চ্যানেলে চলে যাচ্ছিল।

সেই চ্যানেলটাকে নিরুৎসাহিত করব এবং ফরমাল চ্যানেলেই পুরোটা অর্জন করতে চাই। সেজন্যই প্রণোদনা ২ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ২.৫ শতাংশ করা হয়েছে। আজ থেকে এটি কার্যকর। আশা করি এই অর্থবছরে ২৬ বিলিয়ন ডলার রেমিট্যান্স অর্জন করা যাবে।'


পরে ১ জানুয়ারি রাতেই এ বিষয়ে অর্থ মন্ত্রণালয়ের অর্থ বিভাগ থেকে উপসচিব মোহাম্মদ আনিসুজ্জামান স্বাক্ষরিত একটি প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়।







লেখক:- ইরফান ইবনে আমিন পাটোয়ারী

শিক্ষার্থী:- প্রত্নতত্ত্ব বিভাগ, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়।

শেয়ার করুন

ad image

সম্পর্কিত সংবাদ