Harunur Rashid - (Rajbari)
প্রকাশ ১৫/০১/২০২২ ০৭:৩০এ এম

Narayngonj Election: দেশে সুষ্ঠু নির্বাচনে কাঁটা কেএম নুরুল হুদা

Narayngonj Election: দেশে সুষ্ঠু নির্বাচনে কাঁটা কেএম নুরুল হুদা
ad image
নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশন নির্বাচনে শেষ মুহূর্তের প্রচার-প্রচারণায় মেয়র পদে আওয়ামী লীগের প্রার্থী ডা. সেলিনা হায়াৎ আইভী ও স্বতন্ত্র প্রার্থী বিএনপি নেতা অ্যাডভোকেট তৈমূর আলম খন্দকারের গণসংযোগে জনতার ঢল নামতে দেখা যায়।

উভয়ের গণসংযোগে লোকজনের এমন উপস্থিতিতে বোঝা মুস্কিল জয় পরাজয়ের হিসাব-নিকাশ। বৃহস্পতিবার গণসংযোগে আওয়ামী লীগের মেয়র প্রার্থী ডা. সেলিনা হায়াৎ আইভী বলেন, 'আমি শুধু চাই ভোটকেন্দ্র যেন পরিষ্কার থাকে। কোনো সন্ত্রাসী যেন ভোটকেন্দ্রে ঝামেলা করতে না পারে।

আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি যদি অবনতির দিকে যায় তাহলে প্রশাসন তো আছেই। নিশ্চয়ই তারা এটা দেখবে। আমার ওইটা দেখার সময় নেই। আমার জনগণের কাছে যেতে হবে। তাদের ভোট চাইতে হবে। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি প্রশাসন দেখবে। এখানে যৌথভাবে প্রশাসন কাজ করছে।

এটা দেখভাল করার দায়িত্ব তাদের।' নতুন ভোটাররা তাকে কেন ভোট দেবে এমন প্রশ্নের উত্তরে আইভী বলেন, 'নতুন ভোটাররা অনেক সচেতন। ওরা যেমনটা চায়, আধুনিক নগরী, খোলা ময়দান, খেলার মাঠ- আমি এসব ব্যাপারে অনেক কাজ করেছি। ভবিষ্যতেও করব। আমি সততা, নিষ্ঠার সঙ্গে যেমন আমার দলের কাজ করেছি তেমনি দলমতের ঊর্ধ্বে উঠে নারায়ণগঞ্জবাসীর জন্য কাজ করেছি।

আমি পরিষ্কারভাবে কথা বলি, আমার মধ্যে স্বচ্ছতা আছে, মিথ্যার আশ্রয় নেই না। এজন্য নতুন ভোটাররা আমাকে ভোট দেবে।' আইভী বলেন, 'কখনও আমি বাড়তি সুবিধা পাইনি আর বাড়তি সুবিধা নিতে আমি পছন্দও করি না। জনস্রোত যখন আমার সঙ্গে আমি কেন বাড়তি সুবিধা নিতে যাব? প্রশাসন কখনো আমার হাতের মুঠোয় ছিল না, আমি হাতের মুঠোয় নেওয়ার চেষ্টাও করিনি। আমি সব সময় মানুষের দোরগোড়ায় গিয়েছি, তাদের পাশে রাখার চেষ্টা করেছি।

অপরদিকে বৃহস্পতিবার শহরের ১১নং ওয়ার্ডে নির্বাচনী গণসংযোগে স্বতন্ত্র মেয়র প্রার্থী তৈমূর আলম খন্দকার বলেছেন, পুলিশের কার্যক্রমের কারণে নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশন নির্বাচনে একটা ভীতিকর পরিবেশ সৃষ্টি হয়েছে। তবে জনগণ ভীত না। আমার নেতাকর্মীরা ঐক্যবদ্ধ আছে।' তিনি বলেন, 'আমার দলের নেতাকর্মীরা তো নৌকায় ভোট দেবে না। সরকারি দলের নেতাকর্মীদের কমিটি ভেঙে দিচ্ছে। কারণ তারা নৌকার পক্ষে কাজ করছে না।

আন্তর্জাতিক দূতাবাসের যারা আছেন, পাশাপাশি মানবাধিকারকর্মী যারা আছেন তাদের সকলকে বলব আমার নির্বাচন পর্যবেক্ষণ করতে। কেন আমাদের নেতাকর্মীদের বাড়ি বাড়ি পুলিশ যাচ্ছে?' তৈমূর আলম খন্দকার বলেন, 'কাউকে গালি দিয়ে বা খারাপ কথা বলে তো মন জয় করতে পারব না। সেটা করেই আজ সরকারি দলের মধ্যে বিশাল ফাটল, আর আমাদের মধ্যে ঐক্য। এবার পরিবর্তন আসবে, আমি সেই পরিবর্তনের নির্বাচন করছি।

পোলিং এজেন্ট আমরা ৩ সেট তৈরি করে রেখেছি। আমাদের কোনো পোলিং এজেন্ট যদি গ্রেপ্তার হয়ে যায়, তাহলে আরেকজন যাতে সেই দায়িত্ব পালন করতে পারে। কেন্দ্রকে রক্ষা করার জন্য প্রতিটি কেন্দ্র কমিটি করা হয়েছে।' শুরু থেকেই বলা হয়েছে, আপনি একজন নির্দিষ্ট নেতার প্রার্থী? সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে তৈমূর আলম বলেন, 'সরকার দলীয় প্রার্থী এসব কথা বলে আমার জন্য একটি ভালো অবস্থান তৈরি করেছেন।

সিইসি নুরুল হুদা কি আদৌ পারবে নারায়ণগঞ্জে সিটি নির্বাচন কে ফেয়ার ইলেকশনে রুপ দিয়ে শেষ বেলায় সারা দেশে একটা দৃষ্টান্ত স্থাপন করতে?আমার কাছে অন্তত মনে হয়না। কারন মিঃ হুদা সে জাতিয় লোক নয়।আমরা অতীতে বহুবার দেখেছি মিঃ হুদা নির্বাচন বিষয়ে যে বক্তব্য দেন সেগুলো একজন নির্বাচন কমিশনার হিসেবে পড়েনা তিনি যেন কাউকে শুধু জয়ী করতেই বসেছেন আবার কাউকে হারাতে বসেছেন। সো আমি শুধু নয় সারা দেশের জনগন মনে করে দেশে সুষ্ঠু নিরপেক্ষ নির্বাচনে একটি কাঁটা কেএম নুরুল হুদা! সুষ্ঠু নিরপেক্ষ নির্বাচন হলে জনগন নৌকায় ভোট দিবে কিনা এটা বুঝার জন্য সদ্য অনুষ্ঠিত ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনের ফলাফলের দিকে তাকালে সহজে বুঝা যায়।জনগন নৌকা প্রতীকের বিপরীত প্রতীকে ইচ্ছে করেই ভোট দিচ্ছে। হোক সে বিদ্রোহী অথবা স্বতন্ত্র? নারায়ণগঞ্জ কেন দেশের যেখানেই সরকার নির্বাচন দিক সে নির্বাচনে জনগনের ভোটাধিকার সঠিক ভাবে প্রয়োগ হলে নৌকা প্রতীকের প্রার্থীর জয়ী হওয়া শুধু কঠিন নয় অনেক কঠিন। সাম্প্রতিক বিভিন্ন কারনে নারায়নগঞ্জের সিটি নির্বাচন সরকারের জন্য চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে।নাসিক নির্বাচনে আইভী হেরে গেলে সরকার হয়তবা পুরনো কেচ্ছার মতো বলতে পারবে আমাদের অধীনে নিরপেক্ষ নির্বাচন অবশ্যই সম্ভব?কিন্তু জনগন মনে করে এখন যেকোন নির্বাচনে নৌকা জেতা অসম্ভব(যদি ফেয়ার ফ্রী) ভোট হয়।সো সরকারের পুরনো প্যাঁচাল মানুষ এখন আর বিশ্বাস করেনা। সদ্য অনুষ্ঠিত ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে সারা দেশে যে সহিংসতা হয়েছে প্রাণ হানীর ঘটনা ঘটেছে তার দায় সিইসি কেএম নুরুল হুদা অবশ্যই এড়িয়ে যেতে পারেন না।যে কোন ধরনের সহিংসতা রোধে সাংবিধানিক ক্ষমতা প্রয়োগের এখতিয়ার সিইসির রয়েছে।কিন্তু তিনি যেন ঢাল তলোয়ার বিহীন নিধিরাম সর্দার। এমন নির্লজ্জ অথর্ব সিইসি আমরা কখনো দেখেছি বলে মনে হয়না।নাসিক নির্বাচন অবাধ সুষ্ঠু হোক নারায়ণগঞ্জে জনমতের প্রতিফলন ঘটুক সে প্রত্যাশা রইলো।

শেয়ার করুন

ad image

সম্পর্কিত সংবাদ