Md. Azizar Rahman - (Dinajpur)
প্রকাশ ০৯/১২/২০২১ ১১:৩০পি এম

Dinajpur: পাকেরহাট শিশুপার্ক নির্মাণে কাজের ধীরগতি

Dinajpur: পাকেরহাট শিশুপার্ক নির্মাণে কাজের ধীরগতি
ad image
দিনাজপুরের খানসামা উপজেলার প্রাণকেন্দ্র পাকেরহাট শিশুপার্কের নির্মাণ কাজের গতি যেন কচ্ছপের গতিকেও হার মানায়। খানসামা উপজেলার প্রাণকেন্দ্র পাকেরহাটে শিশুপার্ক এখন হাট-বাজারে পরিনত হয়েছে।

২০১৭ সালের ১৮ জুলাই তৎকালীন মাননীয় পররাষ্ট্রমন্ত্রী আবুল হাসান মাহামুদ আলী এমপি পাকেরহাট শিশুপার্কের ভিত্তি প্রস্তর স্থাপন করেন। কিন্তু দীর্ঘ ৪ বছর ৪ মাস ২২ দিন পরও আলোর মুখ দেখেনি শিশু পার্কটি। শিশুদের শারীরিক ও মানসিক বিকাশে যতটা খোলামেলা জায়গা ও বিনোদন কেন্দ্রের প্রয়োজন, তা নেই এই প্রাণ কেন্দ্রে। শিশুদের সরল, সুন্দর মন ও সুস্থ শরীর নিয়ে বেড়ে ওঠার জন্য বিনোদন পাওয়া তাদের অধিকার। খানসামা উপজেলায় উপজেলা চত্ত্বরে একটি পার্ক থাকলেও এই প্রাণকেন্দ্র থেকে ১০-১১ কিলো মিটার দুরে। ফলে এই আনন্দ থেকে বঞ্চিত হচ্ছে পাকেরহাট অঞ্চলের শিশু কিশোর ও স্থানীয় ছেলেমেয়েরা। এখানে নেই কোনো শিশুপার্ক অথবা বিনোদন কেন্দ্র। সেজন্য বিনোদন থেকে বঞ্চিত হচ্ছে তারা।

এই অঞ্চলের স্থনিীয়রা বলেন, ‘শিশুদের শারীরিক এবং মানসিক বিকাশের জন্য শিশুপার্কের প্রয়োজন রয়েছে, যা এই এলাকার শিশুরা পাচ্ছে না।’এ বিষয়ে কর্তৃপক্ষের তৎপরতা দরকার বলে মনে করেন অনেকে।

পাকেরহাট শিশুপার্কের বরাদ্দকৃত জায়গা এখন বিভিন্ন কাজে ব্যবহৃত হচ্ছে। সেখানে নিয়মিত বসছে আলুর হাট। খানসামা উপজেলার সবচেয়ে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এই প্রানকেন্দ্রে অথচ এখনো আলোর মুখ দেখেনি পাকেরহাট শিশুপার্ক। এমনকি স্কুলে সামনে খালি মাঠেও গড়ে উঠেছে ভবন। ফলে ছেলেমেয়েরা আগের মতো খেলধুলা করতে পারছে না। শুধু ক্লাস রুমে পড়াশুনা করেই তারা সময় পার করছে। কিন্তু একটি শিশুর শারীরিক ও মানসিক বিকাশের জন্য খেলাধুলার প্রয়োজন। এছাড়া শিশুকে সামাজিকতা শিক্ষা দেওয়ার জন্য পার্কের ভূমিকা রয়েছে।

শিশুপার্কটি পূর্নাঙ্গ হলে এই এলাকার ছেলেমেয়েদের জন্য অন্তত প্রাথমিক বিনোদন নিশ্চিত হবে। বিশেষ করে যারা পড়াশুনা করে ব্যস্ত সময় পার করে তারা যদি ছুটির দিনে পার্কে যাওয়ার সুযোগ পায় তাহলে তাদের শরীর ও মন সুস্থ থাকবে।

‘শিশু কিশোরদের বেড়ে ওঠার জন্য শিশুপার্ক সহায়ক। শিশুদের বিনোদনের জন্য অবশ্যই নির্দিষ্ট স্থানের প্রয়োজন রয়েছে। তারা অবসর সময়ে শিশুপার্কে গিয়ে খেলাধুলা ও আনন্দ উপভোগ করতে পারে, যা তাদের মেধার বিকাশ ঘটায়। তাদের মধ্য থেকে এক ঘেয়েমি ভাব ও অনিহা দূর করে। অসৎসঙ্গ পরিত্যাগে ভূমিকা রাখে। শিশুপার্ক শিশুর অধিকার। এই অধিকার উন্মুক্ত হোক সবশিশুর জন্য।

শেয়ার করুন

ad image

সম্পর্কিত সংবাদ