Khandokar Ismail Hossain - (Tangail)
প্রকাশ ০৭/১২/২০২১ ১০:০৯এ এম

job: চাকরীর নামে প্রতারণা কেনো?

job: চাকরীর নামে প্রতারণা কেনো?
ad image
চাকরী-একটি ছোট শব্দ। কিন্তু এই শব্দটিই দেশের মধ্যবিত্ত ও নিম্নবিত্ত মানুষের স্বপ্ন। চাকরী মানেই অন্যের দাসত্ব করা। একথা সবাই জেনেও ছুটেন চাকরীর পেছনে। কিন্তু দেশের বর্তমান অবস্থায় চাকরীকে চাকরী না বলে আমাবস্যার চাঁদ বা সোনার হরিণ বলা যায়। এদেশের শিক্ষিত যুবক যুবতীরা উচ্চশিক্ষা গ্রহণ করে যেখানে মনের মতো চাকরী পাওয়ার কথা, সেখানে বেশির ভাগ মানুষের ভাগ্যে সামান্য তম চাকরীও জোটে না।

মাস্টার্স পাশ করে যেসব চাকরী পাওয়া যায়, তার বেতন ১০-১২ হাজারের মধ্যে। যেখানে দ্রব্য মূল্যের আকাশ ছোঁয়া দাম, সেখানে এই সামান্য বেতনে চাকরীজিবী নিজের খরচ জোগাড় করতেই হিমশিম খাচ্ছে। তবুও নিম্ন শ্রেণির স্বল্প মূল্যের চাকরীর জন্য শিক্ষিত বেকার যুবকদের সংগ্রাম করতে হয়। উন্নত দেশ গুলোতে লেখাপড়া শেষ করার সাথে সাথে চাকরী প্রস্তুত থাকে। সেসব দেশের মানুষের চাকরীর জন্য এতটা সংগ্রাম করতে হয় না। এত সবের পরও এদেশে চাকরী নিয়ে প্রতারণার শেষ নেই। চাকরীর পত্রিকা খুললেই দেখা যায় ভূয়া চাকরীর মেলা।

শুধু পত্রিকায়ই নয়, অনলাইন ও রাস্তা-ঘাটে পোষ্টারের মাধ্যমে শত শত ভূয়া চাকরীর বিজ্ঞাপন দেওয়া হয়। যা দেখে বেশির ভাগ মানুষই প্রতারিত হচ্ছে। স্বপ্ন পুরণ করতে বেকার যুবকেরা প্রতারকদের কাছে হাজার হাজার টাকা লোকসান করছে। এতে একদিকে প্রতারক চক্র লাখ থেকে কোটি কোটি টাকা আত্বসাৎ করছে, অপরদিকে বেকার যুবকদের কষ্টের টাকা সহ তাদের স্বপ্ন ভেংগে যাচ্ছে। তাকে পরিবার ও সমাজের কাছে হাসির খোরাক এবং ঠাট্টার পাত্র হতে হচ্ছে।

ভূয়া চাকরীর মধ্যে টাওয়ারে নিয়োগ, সিকিউরিটি নিয়োগ, মা ও শিশু স্বাস্থ্য রক্ষা ইত্যাদি উল্লেখযোগ্য। এই ভূয়া বিজ্ঞাপ্তির উপরে সরকারি ভূয়া লাইসেন্স নাম্বার স্পষ্ট ভাবে দেওয়া থাকে। যা দেখে বেকার যুবকেরা আসল বিজ্ঞাপন মনে করে ফাঁদে পড়ে। শুধু টাকা নয়, অনেক সময় জীবন নিয়েও টানাটানি পড়ে যায়। প্রশাসন সব জেনেও চুপচাপ। তাই প্রতারকরা স্বাধীন ও নিশ্চিন্তে তাদের প্রতারণ চালিয়ে যাচ্ছে। আর বলীর পাঠা হচ্ছে গরীব বেকার যুবকেরা।

শেয়ার করুন

ad image

সম্পর্কিত সংবাদ

*PLEASE INSERT THIS PART OF THE TAG TO THE BODY SECTION OF THE PAGE WHERE YOU'D LIKE TO SEE ADS*