Mohammad Hossen Sunny - (Bogura)
প্রকাশ ২৯/১১/২০২১ ০৮:৩৫এ এম

UP election: দুই চেয়ারম্যান প্রার্থীর সমর্থকদের সংঘর্ষে বিজিবি সদস্য নিহত

UP election: দুই চেয়ারম্যান প্রার্থীর সমর্থকদের সংঘর্ষে বিজিবি সদস্য নিহত
ad image
রোববার ভোট শেষে রাত সাড়ে ৯টার দিকে গাড়াগ্রাম ইউনিয়নের পশ্চিম দলিরাম মাঝাপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে এই ঘটনা ঘটে। নিহত রুবেল হোসেন (৩০/৩৫) বিজিবির নায়েক হিসেবে কর্মরত ছিলেন।

ওই ভোট কেন্দ্রের প্রিজাইডিং কর্মকর্তা ললিত চন্দ্র রায় বিজিবি সদস্য রুবেল হোসেনের নিহতের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

এলাকাবাসী জানান, কেন্দ্রটিতে ভোট গ্রহণ ও গণনা শেষে ফলাফল ঘোষণা করা হয়। সে ফলাফল এক পরাজিত চেয়ারম্যান প্রার্থীর সমর্থকরা প্রত্যাখান করে। তারা কেন্দ্র থেকে নির্বাচনের কাজে কর্মরতদের ব্যালটসহ নির্বাচনী সরঞ্জাম নিয়ে উপজেলা সদরে রিটার্নিং কর্মকর্তার দপ্তরে আসার সময় লাঠিসোটা দিয়ে হামলা চালায়।

আত্মরক্ষায় একজন বিজিবি সদস্য কেন্দ্রের একটি কক্ষে আশ্রয় নিলে ওই হামলাকারীরা তাকে পিটিয়ে হত্যা করে পালিয়ে যায় বলে স্থানীয়রা জানান।

এ সময় হামলাকারীরা পুলিশের গাড়ি ও ভোট কেন্দ্রে অগ্নিসংযোগেরও চেষ্টা চালায়। আক্রমণ থেকে রক্ষায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী কয়েক রাউন্ড গুলি ছোড়ে।

রাত ১১টার দিকে পুলিশ নিহত বিজিবি সদস্যের মরদেহ উদ্ধার করেছে। ওই কেন্দ্রের প্রিজাইডিং কর্মকর্তা ললিত চন্দ্র রায় বলেন, ফলাফল ঘোষণার পর এক পরাজিত চ্যোরম্যান প্রার্থী লোকজন নিয়ে এসে ওই কেন্দ্রে তাকে বিজয়ী ঘোষণার দাবি জানিয়ে নির্বাচনী সরঞ্জাম নিতে বাধা দেন।

“এ সময় আমাদের ওপর আক্রমণ চালাতে শুরু করলে আমিসহ একজন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট কয়েকজন পুলিশ, বিজিবি, আনসার সদস্য আহত হন। কর্তব্যরত আইনশৃঙ্খলা রক্ষারী বাহিনীর সদস্যরা আত্মরক্ষার্থে কয়েকরাউন্ড গুলি ছুড়লে হামলাকারীরা পালিয়ে যায়।”

হামলায় এক বিজিবি সদস্য নিহত হয়েছেন বলে জানান তিনি। তবে কী সংখ্যক গুলি ছোড়া হয়েছে তার হিসাব তিনি তাৎক্ষণিকভাবে দিতে পারেননি।

রাত ১১টার দিকে স্থানীয় সরকার বিভাগের উপ-পরিচালক আব্দুর রহমান বলেন, হামলায় বিজিবির নায়েক রুবেল হোসেন নিহত হয়েছেন। এ সময় হামলাকারীরা পুলিশের একটি গাড়ি ভাঙচুর করেছে। ওই হামলায় দায়িত্বরত প্রিজাইডিং কর্মকর্তা, কর্তব্যরত একজন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেসসহ নির্বাচনী কাজে নিয়েজিত অন্তত ২৫ থেকে ৩০ জন আহত হয়েছেন।

আহতদের বিভিন্ন হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপারসহ প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাসহ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন।

রংপুর রেঞ্জের অতিরিক্ত ডিআইজি ওয়ালিদ হোসেন মৃত্যুর বিষয় নিশ্চিত করে বলেন, “তদন্ত না করে বলা যাবে না কীভাবে মারা গেছেন।”

শেয়ার করুন

ad image

সম্পর্কিত সংবাদ

*PLEASE INSERT THIS PART OF THE TAG TO THE BODY SECTION OF THE PAGE WHERE YOU'D LIKE TO SEE ADS*