Mizanur Rahman - (Faridpur)
প্রকাশ ২০/১০/২০২১ ০৩:০৫এ এম

Nilu, the heroic freedom fighter: ফরিদপুর জেলা আ.লীগের সাধারণ সম্পাদক পদ প্রত্যাশী বীরমুক্তিযোদ্বা নিলু

Nilu, the heroic freedom fighter: ফরিদপুর জেলা আ.লীগের সাধারণ সম্পাদক পদ প্রত্যাশী বীরমুক্তিযোদ্বা নিলু
ad image
বীরমুক্তিযোদ্বা জনাব সাইফুল ইসলাম নিলু । ফরিদপুর জেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক পদ প্রত্যাশাসহ সকলের কাছে দোয়া কামনা করছেন।

জেলা পরিষদের সাবেক সদস্য, অম্বিকাপুর ইউপির সাবেক সফল চেয়ারম্যান, জেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সাবেক সহকারী কমান্ডার,১৯ ৭১-৭২ সালে রুকসুর সাবেক ছাত্রলীগ মনোনীত নির্বাচিত সদস্য।

জনাব সাইফুল ইসলাম নীলু তার নিজ ফেসবুক ওয়ালে (১৯ অক্টোবর) গভীর রাতে স্ট্যাটাসে ঘোষনা দেন তিনি ফরিদপুর জেলা আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক পদ পাওয়ার প্রত্যাশী।

হটাৎ করে এমন স্টাটাসে তোলপাড় হওয়ার উপক্রম হয়ে উঠছে ফরিদপুরের রাজনৈতিক অঙ্গন।

সর্বজনখ্যাত সাইফুল ইসলাম নিলু ফরিদপুর সহ দঃপঃ অঞ্চলের মধ্যে সর্ব শ্রেষ্ঠ বক্তা ও ভাল বিদ্যান। আধ্যাত্মিক জগতপতি অঢেল জ্ঞানী ও গুনীন মানুষ তিনি।

নিলুর পিতার শিক্ষকতার সুবাদে মাগুরার বিনোদপুর স্কুল থেকে তার শিক্ষাজীবনের মাধ্যমিক সার্টিফিকেট ( এসএসি) পাশ করেন ১৯৭০ সালে। তখন তার পিতা ঐ স্কুলের প্রধান শিক্ষক ছিলেন।

১৯৭২ সালে এইচএসসি এবং ১৯৭৫ সালে বিএ পাশ করেন ফরিদপুর রাজেন্দ্র কলেজ থেকে।

১৯৭৫ সালে ১৫ আগস্ট, জাতীর জনকের স্বপরিবারকে হত্যার পর পরই কলেজ বিশ্ব বিদ্যালয়ে কলেজের ছাত্রলীগের নেতা হিসেবে বহু নেতার সাথে তিনিও ফরিদপুর থেকে পালিয়ে গেলে স্নাতকোত্তর অর্জন হয়নি।

বৈবাহিক জীবনে তিনি সুখী পরিবারে দুই ছেলে এক মেয়ের বাবা। অর্থনৈতিক ভাবে অস্বচ্ছল। কারন দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে অম্বিকাপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান থাকাকালীন সময়ও তাকে অনৈতিক অর্থের দাপটে ছু্ঁইতে পারেনি। তিনি এখনও সৎ সাহসী সর্ব মানবজীবের আত্মার আত্মীয় এবং ধর্মপ্রান ও সাধুসঙ্গমী বিনোদনী প্রান পুরুষ।

তারা বাবা ছিলেন, একজন আর্দশবান শিক্ষক। মরহুম মোঃ রফিকুল ইসলাম,তিনি কলকাতা ইসলামিয়া কলেজ থেকে ১৯৪৩ সালে জাতীর জনক বঙ্গবন্ধুর চাড়নিত একই বিদ্যাপ্রতিষ্ঠানে লেখাপড়া করছেন।

তার বাবা ফরিদপুরে ঐতিহাসিক ঈশান ইন্সটিটিশনের সর্ব শেষ প্রধান শিকক্ষ ছিলেন।

তার মমতাময়ী,, মা,, মরহুম জিন্নাত আরা ইসলাম ১৯৬৭ সালে রাজশাহী বিশ্ব বিদ্যালয় থেকে বিত্র পাশ করেন। তিনি ফরিদপুরের ঐতিহ্যবাহী হালিমা গার্লস স্কুলে এক টানা ৩৬ বছর শিক্ষিকা ছিলেন।

নিলুর পৈত্রিক ভিটা গোপালগঞ্জ জেলার মুকসুদপুর উপজেলার সুন্দরদী গ্রামে। তারা ছিলেন ৪ ভাই এক বোন। ভাই বোনের মধ্যে তিনি তৃতীয়।

তার বড় ভাই,মরহুম আজহারুল ইসলাম টিংকু ফরিদপুর রূপালী ব্যাংকের সাবেক সিনিয়র অফিসার ছিলেন, মেঝভাই আশরাফুল ইসলাম বুলু মিয়া মাদারীপুর জেলা খাদ্যনিয়ন্ত্রক ছিলেন,ভাইদের মধ্যে ছোট মোঃ তাজুল ইসলাম পিয়াল ফরিদপুর, রান ইন্ডাস্ট্রিজ এর স্বত্বাধিকারী। এক মাত্র বোন পুতুল ছাত্রজীবন অবস্হায় ১৯৮০ সালে মারা যায়।

জনাব সাইফুল ইসলাম নিলু , সাহিত্য চর্চাক্ষেত্র, রাজনৈতিক মাঠ গরম এবং গানের সুরের একজন মনোমুগ্ধকর শৈল্পিক মানুষও বটে। এত গুনের অধিকারী ছাত্রজীবন থেকে ছাত্রলীগ করা তুখোড় ছাত্রলীগ নেতা আজও ৪০ বছর যাবৎ অবেহলিত।

সাইফুল ইসলাম নিলু গোপালগঞ্জ মুকসুদপুরের একটি সম্ভ্রান্তশালী মুসলিম ধর্মভীরু পরিবারের সন্তান।

তার দাদা মরহুম আঃ হাকিম মিয়া ১৯৩০ সালে কলতায়, পবিত্র কোরান শরীফ বাংলায় অনুবাদ করেন।

নিলুর ফরিদপুর নিজ ভিটা গুহলক্ষীপুর আলামীন জামে মসজিদ সড়ক।

বৈবাহিক জীবনে তিনি দুই পুত্র এক কন্যার জনক। যৌবনের দীর্ঘ সময় কাটিয়েছেন আলীপুরে। সংসার জীবনে পরিবার পরিজন নিয়ে লক্ষীপুরের এখন স্হায়ী বাসিন্দা।

প্রসঙ্গত ঃ ২০০৬ সালে ৩১ জানুয়ারি, জনাব, সাইফুল ইসলাম নিলু মিয়া, ঢাকার ধানমন্ডীর আওয়ামীলীের কার্য্যালয়ে তৎকালীন সময়ের বিরোধী দলীয় নেত্রী, আজকের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার হাতে ফুলেরতোড়া দিয়ে আজীবন আওয়ামীলীগ করার অঙ্গিকারে জনন্দীত দলেের বৃক্ষতলায় ছায়া পাওয়ার আর্শীবাদ নেন।

শেয়ার করুন

ad image

সম্পর্কিত সংবাদ