Ali imran - (Tangail)
প্রকাশ ১৮/১০/২০২১ ০৭:৫২এ এম

dark future: অন্ধকার ভবিষ্যত

dark future: অন্ধকার ভবিষ্যত
ঘটনার সূত্রপাত কুমিল্লাতে ১৩ ই অক্টোবর।ঘটনার পর পর সৃষ্টি হয় বিক্ষোভ যেটা স্বাভাবিক ছিল।৯০ ভাগ মুসলিমের দেশে এমন কিছু হলে তাদের মন এবং আবেদ নিয়ন্ত্রণে থাকবে না সেটাই স্বাভাবিক।

কিন্তু এরপরের ঘটনা গুলি কষ্ট দায়ক এবং ভয়ানক। কুমিল্লার ঘটনার পর চলছে একের পর এক মন্দিরে হামলা চলছে,ভাংচুর করা হচ্ছে প্রতিমা।কুমিল্লার পর নোয়াখালী,ফেনী সহ বিভিন্ন অঞ্চলে মন্দিরে অগ্নিসংযোগ,ভাংচুর চলছেই।সবথেকে অবাক হওয়ার মতো ঘটনা রংপুরের পীরগঞ্চ যেটি কিনা মাননীয় স্পিকার শিরিন শারমীনের নির্বাচনী এলাকা সেখানোও হামলা হয়েছে।

কুমিল্লার ঘটনার পর অনেকেই সাধারণ মুসলিমদের উসকে দিবে এটা ধারণা করা যাচ্ছিল।নবমী এবং দশমীর দিন ঘটতে থাকে বিভৎস ঘটনা।প্রশ্ন হলো যখন অনুমান করা যাচ্ছিল যে কোরআন অবমাননার মতো নেক্কার ঘটনা ঘটেছে পরিস্থিতি অবনতি হবে এটা বিবেচনায় নিয়ে সংখ্যা লঘুদের নিরাপত্তার জন্য নিরাপত্তা দিগুণ করা কি উচিত ছিল না?

ঘটনার পর চার দিন হয়ে গেছে এখনও হামলা বন্ধ হচ্ছে না।সকল মন্দির তীর্থ স্থানে নিরাপত্তা এখোনো নিশ্চিত হয় নি।

অনেক হিন্দু এমন অবস্থায় প্রকাশ্যে দেশ ত্যাগের মতো কথা বলছে।অনেক সনাতনধর্মের মানুষ নিজ বাড়িতে অবস্থান করতে ভয় পাচ্ছে।

এমন ঘটনা শুধু দূর্ঘটনা হিসাবে বিবেচনা করা হয় তাহলে কি ঠিক হবে?

যে সনাতন ধর্মের শিশু, কিশোরা এইসব দেখছেন ভবিষ্যতে দেশের উপর কেমন অনুভূতি জন্মাবে সেই বিষয়ে এখনই চিন্তা করতে হবে।
আমরা বর্তমান চিন্তা করে ভবিষ্যতকে অন্ধকারের দিকে ঠেলে দিতে পারি না।

সংখ্যা লঘুদের উপর নির্যাতন করে কোনো দেশেই কল্যান বয়ে নিয়ে আসতে পারে নি এমন অনেক নজির আছে।

কাজেই অন্তত ভবিষ্যতের কথা চিন্তা করে হলেও আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর কঠোর হুশিয়ারি দেওয়া উচিত এবং সকল মন্দিরে নিরাপত্তা জোরদার করা উচিত।
সাথে পবিত্র কোরআন অবমাননার পিছনে এবং বিভিন্ন জেলায় মন্দির ভাংচুর এর পিছনে কে বা কারা ছিল তার তদন্ত রিপোর্ট জনসম্মুখে তুলে ধরা উচিত।

নতুবা এই জাতির ওপর একটি গোষ্ঠীর বিশ্বাস বলে কিছু থাকবে না ভবিষ্যতে উগ্রবাদ বেড়ে যেতে পারে এমন ঘটনার বিচার না হলে।

শেয়ার করুন

সম্পর্কিত সংবাদ

*PLEASE INSERT THIS PART OF THE TAG TO THE BODY SECTION OF THE PAGE WHERE YOU'D LIKE TO SEE ADS*